এক নজরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের চৌম্বক অংশ
এক নজরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দুর কথা বলে জিন্নাহ।
- জিন্নাহর পলিটিকাল অপনেন্ট মওদূদী।
- রাষ্ট্রভাষা বাংলা চেয়ে আন্দোলন করে গোলাম আযম। জেলেও যায় এজন্য।
- মওদূদী এবং পরবর্তীতে গোলাম আযম দুইজনই জামাতের নেতা।
- ১৯৪৮ সালে জিন্নাহর কর্মী ছিল মুজিব।
- পরবর্তীতে মুজিব, জিন্নাহর বোন এবং জামাত একত্রে দীর্ঘদিন আন্দোলন করেছে, নির্বাচন করেছে।
- বাংলা প্রশ্নে ভিন্নমত ছিল ফজলুর রহমান, নুরুল আমিন, খাজা নাজিমুদ্দিন প্রভৃতি ব্যক্তিবর্গের।
- এরা সবাই বাঙ্গালী এবং পূর্ব পাকিস্তানের।
- ফজলুর রহমান আবার সালমান এফ রহমানের বাবা এবং খাজা নাজিমুদ্দিনের পৃষ্ঠপোষকতায় ক্যাম্ব্রিজে পড়াশোনা করেন তার নাতি রেহমান সোবহান।
- সালমান এফ রহমান এবং রেহমান সোবহান একই সাথে "রাজাকারের সন্তান" এবং "মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের লোক"।
- ১৯৬২ সাল থেকে ইন্ডিয়া পাকিস্তান ভাঙ্গার চেষ্টা চালায়।
- মুজিব ইন্ডিয়ার সাথে ষড়যন্ত্র করে।
- দেশদ্রোহের দায় মাথায় নিতে হবে জন্য মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় না; মুজিব চায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে।
- স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় মেজর জিয়া।
- জামাত পাকিস্তান ভাঙ্গার বিরুদ্ধে ছিল।
- জামাত মুজিবকে অপছন্দ করে এবং জিয়াকে পছন্দ করে।
- পূর্ব পাকিস্তানে গণহত্যা চালানোর পরিকল্পনা করে ভুট্টো-ইয়াহিয়া-টিক্কা।
- ভুট্টো একজন সোশালিস্ট প্রগতিশীল সেকুলার।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধানে সেকুলারিজম এবং সোশালিজম মূলনীতি হিসাবে যুক্ত করা হয়।
- জিয়াউর রহমান সেকুলারিজম বাদ দেন। সোশালিজমের সংজ্ঞা বদলান।
- জিয়াউর রহমানকে পাকিস্তান পছন্দ করে আর মুজিবকে বলে গাদ্দার।
- মুজিব পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে, পাকিস্তানী জেনারেলদের বিচার না করে ছেড়ে দেয় এবং ভুট্টোকে ঢাকায় এনে লাল গলিচা সংবর্ধনা দেয়। ভুট্টো মাফ চায়।
- বাংলাদেশের পতাকার নকশা তৈরীতে ভূমিকা রেখেছিলেন একজন বিহারী যাকে মুক্তিযোদ্ধারা হত্যা করে।
- ইনফ্যাক্ট, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগ থেকেই বিহারীদের ওপর গণহত্যা চালানো হচ্ছিল। সানডে টাইমসে প্রকাশিত কলামে এন্থনি মাসকারেনহাস লেখেন যে মার্চ-এপ্রিলেই লাখের ওপর বিহারী গণহত্যার শিকার হয়েছেন।
- সানডে টাইমসের এই কলামের জন্য হাসিনা রেজিম এন্থনি মাসকারেনহাসকে বাংলাদেশের বিদেশী বন্ধু হিসাবে স্বীকৃতি ও পদক দেয়।
- কারণ এই একই কলামে মাসকারেনহাস টিক্কা-ভুট্টোর কাউন্টার জেনোসাইডের তথ্য ফাঁস করে দিয়ে বিশ্ব বিবেক পাকিস্তান আর্মির বিরুদ্ধে নিয়ে যান- বিবিসি এটাকে ইতিহাসের সেরা সাউথ এশিয়ান জার্নালিজম বলে মনে করে।
- এবং ৭ই মার্চ মুজিব জয় পাকিস্তান বলে বক্তব্য শেষ করে।
© Mohammad Ishrak
Comments
Post a Comment