বিদ্রোহী বেদনার সুর
মানুষের হৃদয় কখনো কখনো নিজেই নিজের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। অশ্রু তখন শুধু জল নয়—সে হয়ে ওঠে আগুন। এই কবিতাটি সেই অন্তর্দহন, অপূর্ণতার অনুশোচনা, হারানোর বেদনা এবং স্মৃতির মাঝখানে টিকে থাকা এক চিলতে সুখের গল্প। "বিদ্রোহী বেদনার সুর " কেমনে চেপে রাখি বলো এই তপ্ত আঁখি-বারি? এ যে শৃঙ্খল-ভাঙা বেদনা—বিদ্রোহী আগুন জ্বারি! দিনে কোকিল গর্জে ওঠে, রাতে পাপিয়া কাঁদে, হিয়ার ক্ষত রণভূমি হয়—দুঃখ দাঁড়ায় বাঁধে। বুকের ভিতর পুঞ্জীভূত কত অনুতাপের ছাই, হাসির আড়াল ভেঙে দেখি—আমি তো সুখী নই। যে কথা বলা হয়নি কভু, সে কথা শাপে দহে, নিভে যাওয়া প্রদীপের শিখা স্মৃতির বাতাসে বহে। তোমার ছায়া ভাসে এখনো নিশীথ-নক্ষত্রতলে, অপরাধী এই মন আমার ক্ষমা চায় অবহেলে। হয়তো যদি বলতাম আগে হৃদয়ের সব ক্ষত, আজকের এই বিরহ-রাত্রি হতো না এত কঠিন শত। তবু স্মৃতির মাঝে কখনো ঝরে মধুর হাসি, এক মুঠো সুখ রোদ্দুর হয়ে অন্ধকারে ভাসি। ব্যথার মাঝেই বুঝি তবে প্রেমের ছিল জয়— দহন পেরিয়ে ছাইয়ের নিচে দীপ্যমান সেই নয়। আমি তাই অশ্রু লুকাই না—জ্বলুক আগুন হয়ে, এই দাহনেই খুঁজে নেবো শ...